মাসআলাঃ নয় যিলহজ ফজর থেকে ১৩ যিলহজ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর তাকবীরে তাশরীক পড়া ওয়াজিব। পুরুষ- মহিলা,মুকীম-মুসাফির, একাকি নামায পড়া ব্যক্তি ও জামাতে নামায পড়া ব্যক্তি সকলের উপরেই ওয়াজিব। তাকবীরে তাশরীক এই-

الله أكبر، الله أكبر، لا إله إلاالله والله أكبر، الله أكبر ولله الحمد

মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, বর্ণনা নং ৫৬৯৬-৯৯; রদ্দুল মুহতার ২/১৭৭

মাসআলাঃ তাকবীরে তাশরীক একবার পড়তে হয় তিনবার নয়।

মাসআলাঃ পুরুষদের জন্য তাকবীরে তাশরীক উচ্চস্বরে পড়া ওয়াজিব। আস্তে পড়লে এ ওয়াজিব পরিপূর্ণভাবে আদায় হবে না। মহিলারা নিম্ম আওয়াজে পড়বে।-রদ্দুল মুহতার ২/১৭৮

মাসআলাঃ ইমাম তাকবীর বলতে ভুলে গেলে মুকতাদীগন নিজেরাই শুরু করবে। ইমামের জন্য অপেক্ষা করবে না।

মাসআলাঃ তাকবীরে তাশরীক পড়তে ভুলে গেলে এর কোন কাফফারা নেই। পরে শুধু ইস্তেগফার করবে।

মাসআলাঃ প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর কথা-বার্তা বা অন্য কোন কাজ শুরু করার আগেই তাকবীরে তাশরীক পড়বে। এমনকি হাজীগন আগে তাকবীরে তাশরীক পড়বে অতঃপর তালবিয়া পড়বে। তাকবীর পড়তে বেশী দেরি হয়ে গেলে তাকবীরের হক আদায় হবে না।

মাসআলাঃ তাকবীরে তাশরীকের ২৩ ওয়াক্তের কোন ওয়াক্তের নামায ক্বাযা হয়ে গেলে এবং তা এই ২৩ ওয়াক্তের মধ্যেই আদায় করলে কাজা নামাযের পরও তাকবীরে তাশরীক পড়বে। পরে পড়লে তাকবীর বলবে না।

 

 687 total views,  1 views today