প্রশ্ন : আসসালামু আলাইকুম হযরত আমার প্রশ্নগুলো হলো: ১/অনেক দুনিয়াদ্বার পিতা সন্তানকে আলেম লাইনে পড়ায়। কিন্তু এরা ভাবে এটা যথেষ্ট নাজাতের জন্য? এই জন্য এরা নামাযের পাবন্দীও করেনা আর ইবাদতের প্রতি তেমন খেয়ালী না! এখন এদের এই দিলের হালত এটা অন্যায় নয় কি? নাকি সন্তান হাফেজ বা আলেম হলেই এটা ব্যক্তির জন্য যথেষ্ট যেমনটা এরা ভাবে? ২/হযরত আমার দিলে ওয়াসওয়াসা আসে যে, ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় কত গুনাহ হয় তো ইবাদত করো কেনো? নামাযও পড় আবার বদ আমলী এসে যায় এতে কোনো ফায়দা নেই! কিন্তু হযরত আমি আরো তাগিদ দিয়ে ইবাদতের লজ্জত অর্জন এর চেষ্টা করে যাই। এখন এই যে এটা মনে আসে ইবাদত করো,বদ আমলী ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় হয় সেই তো একই হলো?এমন দিলে আসলে আমি নিজেকে কিভাবে ইসলাহ করবো সব সময়? ৩/ হযরত অনেককে কিছু বললে (দ্বীনের লাইনে আমিতো মাদ্রাসায় পড়িনা) তারা বলে এত দরবেশগিরী দেখাইয়েন না। আর কখন কি হয় কে জানে। নিজেও যে এপথে (মানে যে কোনো গোমরাহ কাজে যেমন নামায না পড়া) আসবেন না বা নিজের পরিবারের কেউ আসবেনা এটা নিশ্চয়তা কি? নিজেরটা নিজে ভাবেন। এমন হলে এদের কাছে দ্বীনী দু চারটা কথা বলাও বন্ধ করবো?

উত্তর :

ওয়া আলাইকুমুস সালাম
১। সন্তানকে মাদ্রাসায় দেওয়া নাজাতের জন্য যথেষ্ট নয়। বরং নিজের স্বতন্ত্র আমল চালিয়ে যেতে হবে।
২। দিলের এই কথার দিকে কোন ভ্রূক্ষেপ না করে আপনি ইবাদাত চালিয়ে যাবেন। আর দিলকে বুঝাবেন ইবাদাত ছেড়ে দিয়ে শুধু গোনাহ করলে তো খারাবীর দিকটাই ভারি হল।
৩। হেকমত অবলম্বন করে দাওয়াত দিতে থাকুন। আল্লাহ্‌ তাআলার নিকট দুআ করতে থাকুন। আল্লাহ্‌ তাআলা চাহেন তো তারা ফিরে আসবে ইংশাআল্লাহ।–সূরা নাহল, আয়াত ১২৫

 824,522 total views,  1,393 views today