১। ছোট বড় সকল প্রকার নাপাকী থেকে পবিত্র হয়ে ইক্বামত বলা। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং ২১৯০, ২১৯২)
২। কিলামুখী হয়ে ইক্বামত দেওয়া। পায়ের আঙ্গুলগুলো পরিপূর্ন কিবলামুখী করে রাখা। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং ২২৩০,২২৩১; সুনানে বাইহাক্বী, হাদীস নং ১৯১১)
৩। প্রথমে চার তাকবীর একত্রে এক শ্বাসে বলা এবং প্রত্যেক তাকবীরের শেষে সাকিন করা। এরপর পর্যায়ক্রমে আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ দুই বার এক শ্বাসে, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ দুইবার এক শ্বাসে, হাইয়া আলাস সলাহ দুইবার এক শ্বাসে, হাইয়া আলাল ফালাহ দুইবার এক শ্বাসে, কদক্বমাতিস সলাহ দুইবার এক শ্বাসে এবং সর্বশেষে আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ একবার এক শ্বাসে বলে ইকামত শেষ করা। (সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং ১৯৪; মুসন্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং ২১৩১; মুসন্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদীস নং ১৭৯১; শরহে মাআনীল আছার, হাদীস নং ৭৬০)
৪। ইক্বামতের প্রতি বাক্য এবং তাকবীর সমূহের শেষে সাকিন করা। {আল বাহরুর রায়েক ৩/১৫; রদ্দুল মুহতার ২/৫১ (যাকারিয়া)}
৫। ইক্বামতের বাক্যগুলো জলদী জলদী বলা। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং ২২৩৪; সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং ১৯৫)
৬। ডান দিকে চেহারা ফিরিয়ে হাইয়া আলাস সলাহ বলা। এরপর বামদিকে চেহারা ফিরিয়ে হাইয়া আলাল ফালাহ বলা। তবে সীনা ঘুরাবে না। (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৪৭; সহীহ ইবনে খুযাইমা, হাদীস নং ১৫৩)
৭। ইক্বামতের জবাব দেওয়া। প্রত্যেকটি বাক্যের জবাবে হুবহু তা-ই বলবে। হবে হাইয়া আলাস সলাহ এবং হাইয়া আলাল ফালাহ এর জবাবে লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ বলবে। আর ক্বদক-মাতিস সলাহ (قد قامت الصلوة) এর জবাবেاقامها الله و ادامها (আকা-মাহুল্লাহু ওয়া আদা-মাহা) বলবে। ( সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং ৫২৮; সুনানে বাইহাক্বী, হাদীস নং ২০১৬)
বিঃ দ্রঃ অনেকে اشهد ان محمدا رسول الله ( আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ( জবাবে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলে, যা খেলাফে সুন্নাত। বরং এর জবাবে আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্লাহ-ই বলবে। (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৮৭৬ ; মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদীস নং ১৮৪৩)
৮। কোন ওযর না থাকলে আযান দেওয়া ব্যক্তির ইক্বামত বলা। (সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং ৫১৪; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ১৭৫৩৭)

 14 total views,  1 views today